1. dailyjanatarshakti@dailyjanatarshakti.com : dailyjanatarshakti : dailyjanatarshakti
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
প্রধানমন্ত্রীর ‘গ্রিন সিটি-ক্লিন সিটি’ বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের নির্দেশনা ডিএসসিসি প্রশাসকের - dailyjanatarshakti
শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন

প্রধানমন্ত্রীর ‘গ্রিন সিটি-ক্লিন সিটি’ বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের নির্দেশনা ডিএসসিসি প্রশাসকের

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৪৫ Time View

প্রধানমন্ত্রীর ‘গ্রিন সিটি-ক্লিন সিটি’ বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের নির্দেশনা ডিএসসিসি প্রশাসকের
ঢাকা প্রতিনিধি উজ্জল মিয়া : প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী ঢাকাকে একটি আধুনিক ‘গ্রিন সিটি ও ক্লিন সিটি’ হিসেবে গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) নবনিযুক্ত প্রশাসক জনাব মোঃ আব্দুস সালাম।

বুধবার নগর ভবনে কর্পোরেশনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সাথে আয়োজিত পৃথক মতবিনিময় সভায় তিনি এ নির্দেশনা প্রদান করেন। সভায় ঢাকাকে বাসযোগ্য ও সুন্দর নগরীতে রূপান্তরের লক্ষ্যে চারটি অগ্রাধিকার কর্মসূচি নির্ধারণ করা হয়েছে: ১. বৃক্ষরোপণ ও ব্যাপক সবুজায়ন ২. খালের প্রবাহ পুনরুদ্ধার ও খনন ৩. আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা
৪. কার্যকর মশক নিধন। উক্ত কর্মসূচিগুলো সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পাওয়ায় ডিএসসিসি’র বিভিন্ন ওয়ার্ডকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। মশক নিধন কার্যক্রম শতভাগ নিশ্চিত করতে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী ‘মনিটরিং টিম’ গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া, এই কার্যক্রমে স্থানীয় সিভিল সোসাইটিকে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। সভায় সতর্ক করে জানানো হয় যে, সচেতন করার পরেও কারো অবহেলায় মশার লার্ভা পাওয়া গেলে বা পরিবেশ দূষিত হলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে প্রশাসক জনাব মোঃ আব্দুস সালাম বলেন, “সিটি কর্পোরেশন একটি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান। জনগণের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা ও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করাই হবে প্রধান কাজ। ভালো কাজের জন্য যেমন পুরস্কার নিশ্চিত করা হবে, তেমনি অবহেলার জন্য তিরস্কার ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ‘গ্রিন সিটি, ক্লিন সিটি’র স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমাদের সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের পরিচয় দিতে হবে।” তিনি আরও ঘোষণা করেন যে, আজ থেকে ডিএসসিসি’র সকল নাগরিক সেবা সম্পূর্ণভাবে সচল ও নিরবচ্ছিন্ন থাকবে।

এদিকে আজ সকালে এক পৃথক কর্মসূচিতে মাননীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন ধলপুরে ডিএসসিসি’র কেন্দ্রীয় মশার ঔষধ সংরক্ষণাগার পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রশাসক জনাব মোঃ আব্দুস সালাম তাঁর সাথে ছিলেন। মাননীয় মন্ত্রী সংরক্ষণাগারের সামগ্রিক পরিবেশ ও ব্যবস্থাপনা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং মশক নিধনে ব্যবহৃত ওষুধের গুণগত মান বজায় রাখার তাগিদ দেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

দারিদ্র বিমোচনে যাকাতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য শীর্ষক সেমিনার মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সরকারি যাকাত ফান্ডে যাকাত সংগ্রহের লক্ষ্যে জেলা পর্যায়ে ‘ দারিদ্র বিমোচনে যাকাতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য’ শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি বুধবার ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমান, সভাপতিত্ব করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক মোঃ হাবেজ আহমেদ। ইসলামিক ফাউন্ডেশন আয়োজিত এ সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রেজা মোঃ গোলাম মাসুম প্রধান , সিভিল সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) ডা. ফয়সল আহমেদ, স্থানীয় আলেম-উলামাসহ ময়মনসিংহের জেলা পর্যায়ের দপ্তরপ্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন। যাকাত ইসলামের ৫টি স্তম্ভের একটি। নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক অর্থাৎ সাড়ে সাত তোলা স্বর্ণ অথবা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপা অথবা এর সমতুল্য সম্পদ বা টাকা এক বৎসরকাল অতিবাহিত হলে তার উপর শতকরা আড়াই টাকা বা হাজারে পঁচিশ টাকা হারে যাকাত ফরয। যাকাত ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ রুকন ও আর্থিক ইবাদত। আটটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে যাকাতের অর্থ প্রদান করা যায় যা কুরআন ও সুন্নাহ দ্বারা নির্ধারিত। যাকাত তাকওয়া ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তির উপায়। যাকাতের মাধ্যমে ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য কমে আসে, দারিদ্র বিমোচন ও কর্মসংস্থান হয়। যাকাতের মাধ্যমে অর্থ অহমিকার বিলোপ সাধন করে ও ঈমানী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আত্মিক শান্তি লাভ এবং আল্লাহর নিয়ামতের শোকর করা যায়। যাকাত সম্পদ ও ব্যক্তিকে পবিত্র করে। যাকাতের অর্থ আয়করমুক্ত। পরবর্তীতে মুক্ত আলোচনায় যাকাত সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন উপস্থিত আলেমগণ। প্রধান অতিথি বলেন, রমজান মাস সংযমের মাস, মূল্যবোধ সুদৃঢ়করণের মাস। আমাদের ধর্মবিশ্বাস অনুযায়ী, অন্যান্য মাসের তুলনায় রমজান মাসে নেক আমলের সওয়াব ৭০ গুণ বেশি দেওয়া হয়। যাকাত ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফরজ রুকন। ইসলামে জীবন বিধান সহজ করা হয়েছে, কিন্তু ট্যাক্স ফাঁকির মতো আমরা যাকাত দিতেও ফাঁক-ফোকর খুঁজি। হযরত ওমর (রা.) এর সময় যাকাত ব্যবস্থাপনা এতো সুন্দর ছিল যে যাকাত নেওয়ার মতো লোক খুঁজে পাওয়া যেত না। কিন্তু বর্তমানে যাকাত প্রদান জনগণকে ফোকাস করে হয়ে গেছে। সে স্থান থেকে বেরিয়ে যথাযথ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে যাকাত ব্যক্তিকে এমনভাবে দিতে হবে যেন তিনি স্বাবলম্বী হতে পারেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। এক্ষেত্রে ইসলামিক ফাউন্ডেশন ব্যক্তিকে ছাগল, সেলাই মেশিন বা রিকশা প্রদানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করতে পারে। সরকারি ফান্ডে যাকাত প্রদানের বিষয়ে শুক্রবারের জুমুআর খুতবা এবং নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে প্রচারণা চালাতে হবে। এ সময় তিনি যাকাত প্রদানকারী ব্যক্তিদের যাকাতের একটা নির্দিষ্ট অংশ সরকারি যাকাত ফান্ডে জমা দেওয়ার আহ্বান জানান।

দারিদ্র বিমোচনে যাকাতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য শীর্ষক সেমিনার মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সরকারি যাকাত ফান্ডে যাকাত সংগ্রহের লক্ষ্যে জেলা পর্যায়ে ‘ দারিদ্র বিমোচনে যাকাতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য’ শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি বুধবার ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমান, সভাপতিত্ব করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক মোঃ হাবেজ আহমেদ। ইসলামিক ফাউন্ডেশন আয়োজিত এ সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রেজা মোঃ গোলাম মাসুম প্রধান , সিভিল সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) ডা. ফয়সল আহমেদ, স্থানীয় আলেম-উলামাসহ ময়মনসিংহের জেলা পর্যায়ের দপ্তরপ্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন। যাকাত ইসলামের ৫টি স্তম্ভের একটি। নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক অর্থাৎ সাড়ে সাত তোলা স্বর্ণ অথবা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপা অথবা এর সমতুল্য সম্পদ বা টাকা এক বৎসরকাল অতিবাহিত হলে তার উপর শতকরা আড়াই টাকা বা হাজারে পঁচিশ টাকা হারে যাকাত ফরয। যাকাত ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ রুকন ও আর্থিক ইবাদত। আটটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে যাকাতের অর্থ প্রদান করা যায় যা কুরআন ও সুন্নাহ দ্বারা নির্ধারিত। যাকাত তাকওয়া ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তির উপায়। যাকাতের মাধ্যমে ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য কমে আসে, দারিদ্র বিমোচন ও কর্মসংস্থান হয়। যাকাতের মাধ্যমে অর্থ অহমিকার বিলোপ সাধন করে ও ঈমানী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আত্মিক শান্তি লাভ এবং আল্লাহর নিয়ামতের শোকর করা যায়। যাকাত সম্পদ ও ব্যক্তিকে পবিত্র করে। যাকাতের অর্থ আয়করমুক্ত। পরবর্তীতে মুক্ত আলোচনায় যাকাত সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন উপস্থিত আলেমগণ। প্রধান অতিথি বলেন, রমজান মাস সংযমের মাস, মূল্যবোধ সুদৃঢ়করণের মাস। আমাদের ধর্মবিশ্বাস অনুযায়ী, অন্যান্য মাসের তুলনায় রমজান মাসে নেক আমলের সওয়াব ৭০ গুণ বেশি দেওয়া হয়। যাকাত ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফরজ রুকন। ইসলামে জীবন বিধান সহজ করা হয়েছে, কিন্তু ট্যাক্স ফাঁকির মতো আমরা যাকাত দিতেও ফাঁক-ফোকর খুঁজি। হযরত ওমর (রা.) এর সময় যাকাত ব্যবস্থাপনা এতো সুন্দর ছিল যে যাকাত নেওয়ার মতো লোক খুঁজে পাওয়া যেত না। কিন্তু বর্তমানে যাকাত প্রদান জনগণকে ফোকাস করে হয়ে গেছে। সে স্থান থেকে বেরিয়ে যথাযথ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে যাকাত ব্যক্তিকে এমনভাবে দিতে হবে যেন তিনি স্বাবলম্বী হতে পারেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। এক্ষেত্রে ইসলামিক ফাউন্ডেশন ব্যক্তিকে ছাগল, সেলাই মেশিন বা রিকশা প্রদানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করতে পারে। সরকারি ফান্ডে যাকাত প্রদানের বিষয়ে শুক্রবারের জুমুআর খুতবা এবং নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে প্রচারণা চালাতে হবে। এ সময় তিনি যাকাত প্রদানকারী ব্যক্তিদের যাকাতের একটা নির্দিষ্ট অংশ সরকারি যাকাত ফান্ডে জমা দেওয়ার আহ্বান জানান।

© All rights reserved © 2022

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি