1. dailyjanatarshakti@dailyjanatarshakti.com : dailyjanatarshakti : dailyjanatarshakti
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
লিখিত পরীক্ষায় প্রক্সি দিয়ে পাস, ভাইবা দিতে এসে ৯ পরীক্ষার্থীর কারাদণ্ড - dailyjanatarshakti
বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন

লিখিত পরীক্ষায় প্রক্সি দিয়ে পাস, ভাইবা দিতে এসে ৯ পরীক্ষার্থীর কারাদণ্ড

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২৮ Time View

লিখিত পরীক্ষায় প্রক্সি দিয়ে পাস, ভাইবা দিতে এসে ৯ পরীক্ষার্থীর কারাদণ্ড

প্রতিনিধি এনামুল হক

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অফিস সহায়ক পদে লিখিত পরীক্ষায় প্রক্সি দিয়ে পাস করার পর মৌখিক পরীক্ষা দিতে এসে ধরা খেয়েছেন ৯ পরীক্ষার্থী। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাঁদের আটক করা হয়। ভাইভা দিতে এসে জালিয়াতি ধরা পড়ায় তাদের প্রত্যেককে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, হোসেনপুর উপজেলার মোঃ জালাল উদ্দিনের ছেলে মোঃ নিজাম উদ্দিন, পাকুন্দিয়া উপজেলার রজব আলীর ছেলে পিয়াস, হোসেনপুর উপজেলার সেলিমের ছেলে সাব্বির, পাকুন্দিয়া উপজেলার মোস্তফার ছেলে মেহেদী, মিঠামইন উপজেলার আবুল কালামের ছেলে শফিকুল, ইটনা উপজেলার রবি হোসেনের ছেলে নজরুল, তাড়াইল উপজেলার জিলু মিয়ার ছেলে জসিম, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার শফিকুল ইসলামের মেয়ে রাহিমা আক্তার, তাড়াইল উপজেলার দুলাল মিয়ার ছেলে ফয়সাল।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, ভাইভা বোর্ডে আসার পর সব পরীক্ষার্থীদের মতো তাঁদের লেখার সঙ্গে লিখিত পরীক্ষার খাতার লেখা মিলিয়ে দেখা হয়। হাতের লেখায় অমিল থাকায় সন্দেহ তৈরি হলে জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা স্বীকার করেন যে তাঁরা নিজেরা পরীক্ষা দেননি। অন্যদের মাধ্যমে প্রক্সি দিয়ে পরীক্ষায় পাস করেছেন।

জালিয়াতির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সুফি সাজ্জাদ আল ফোজায়েল, রাহুল ঘোষ পলাশ, আমিন অর রশিদ, মশিউর রহমান, রিয়াদ হোসেন তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ৯ জনকে কারাদণ্ড প্রদান করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নিয়োগ ও বাছাই কমিটির সদস্য সচিব ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান বলেন, তাদের হাতের লিখা যাচাই করার সময় তারা স্বীকার করে প্রক্সির মাধ্যমে তারা লিখিত পরীক্ষায় উর্ত্তীন হয়েছে। পরে তাদের ১৫ দিনের করে কারাদণ্ড দেয়া হয়। সকল তথ্য পুলিশ ও গোয়েন্দাদের দেয়া হয়েছে এই কাজের সঙ্গে কারা জড়িত খুঁজে বের করার জন্য। এটার শেকড় কোথায় কে বা কারা জড়িত সব বের করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

দারিদ্র বিমোচনে যাকাতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য শীর্ষক সেমিনার মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সরকারি যাকাত ফান্ডে যাকাত সংগ্রহের লক্ষ্যে জেলা পর্যায়ে ‘ দারিদ্র বিমোচনে যাকাতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য’ শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি বুধবার ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমান, সভাপতিত্ব করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক মোঃ হাবেজ আহমেদ। ইসলামিক ফাউন্ডেশন আয়োজিত এ সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রেজা মোঃ গোলাম মাসুম প্রধান , সিভিল সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) ডা. ফয়সল আহমেদ, স্থানীয় আলেম-উলামাসহ ময়মনসিংহের জেলা পর্যায়ের দপ্তরপ্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন। যাকাত ইসলামের ৫টি স্তম্ভের একটি। নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক অর্থাৎ সাড়ে সাত তোলা স্বর্ণ অথবা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপা অথবা এর সমতুল্য সম্পদ বা টাকা এক বৎসরকাল অতিবাহিত হলে তার উপর শতকরা আড়াই টাকা বা হাজারে পঁচিশ টাকা হারে যাকাত ফরয। যাকাত ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ রুকন ও আর্থিক ইবাদত। আটটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে যাকাতের অর্থ প্রদান করা যায় যা কুরআন ও সুন্নাহ দ্বারা নির্ধারিত। যাকাত তাকওয়া ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তির উপায়। যাকাতের মাধ্যমে ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য কমে আসে, দারিদ্র বিমোচন ও কর্মসংস্থান হয়। যাকাতের মাধ্যমে অর্থ অহমিকার বিলোপ সাধন করে ও ঈমানী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আত্মিক শান্তি লাভ এবং আল্লাহর নিয়ামতের শোকর করা যায়। যাকাত সম্পদ ও ব্যক্তিকে পবিত্র করে। যাকাতের অর্থ আয়করমুক্ত। পরবর্তীতে মুক্ত আলোচনায় যাকাত সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন উপস্থিত আলেমগণ। প্রধান অতিথি বলেন, রমজান মাস সংযমের মাস, মূল্যবোধ সুদৃঢ়করণের মাস। আমাদের ধর্মবিশ্বাস অনুযায়ী, অন্যান্য মাসের তুলনায় রমজান মাসে নেক আমলের সওয়াব ৭০ গুণ বেশি দেওয়া হয়। যাকাত ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফরজ রুকন। ইসলামে জীবন বিধান সহজ করা হয়েছে, কিন্তু ট্যাক্স ফাঁকির মতো আমরা যাকাত দিতেও ফাঁক-ফোকর খুঁজি। হযরত ওমর (রা.) এর সময় যাকাত ব্যবস্থাপনা এতো সুন্দর ছিল যে যাকাত নেওয়ার মতো লোক খুঁজে পাওয়া যেত না। কিন্তু বর্তমানে যাকাত প্রদান জনগণকে ফোকাস করে হয়ে গেছে। সে স্থান থেকে বেরিয়ে যথাযথ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে যাকাত ব্যক্তিকে এমনভাবে দিতে হবে যেন তিনি স্বাবলম্বী হতে পারেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। এক্ষেত্রে ইসলামিক ফাউন্ডেশন ব্যক্তিকে ছাগল, সেলাই মেশিন বা রিকশা প্রদানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করতে পারে। সরকারি ফান্ডে যাকাত প্রদানের বিষয়ে শুক্রবারের জুমুআর খুতবা এবং নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে প্রচারণা চালাতে হবে। এ সময় তিনি যাকাত প্রদানকারী ব্যক্তিদের যাকাতের একটা নির্দিষ্ট অংশ সরকারি যাকাত ফান্ডে জমা দেওয়ার আহ্বান জানান।

দারিদ্র বিমোচনে যাকাতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য শীর্ষক সেমিনার মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সরকারি যাকাত ফান্ডে যাকাত সংগ্রহের লক্ষ্যে জেলা পর্যায়ে ‘ দারিদ্র বিমোচনে যাকাতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য’ শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি বুধবার ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমান, সভাপতিত্ব করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক মোঃ হাবেজ আহমেদ। ইসলামিক ফাউন্ডেশন আয়োজিত এ সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রেজা মোঃ গোলাম মাসুম প্রধান , সিভিল সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) ডা. ফয়সল আহমেদ, স্থানীয় আলেম-উলামাসহ ময়মনসিংহের জেলা পর্যায়ের দপ্তরপ্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন। যাকাত ইসলামের ৫টি স্তম্ভের একটি। নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক অর্থাৎ সাড়ে সাত তোলা স্বর্ণ অথবা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপা অথবা এর সমতুল্য সম্পদ বা টাকা এক বৎসরকাল অতিবাহিত হলে তার উপর শতকরা আড়াই টাকা বা হাজারে পঁচিশ টাকা হারে যাকাত ফরয। যাকাত ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ রুকন ও আর্থিক ইবাদত। আটটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে যাকাতের অর্থ প্রদান করা যায় যা কুরআন ও সুন্নাহ দ্বারা নির্ধারিত। যাকাত তাকওয়া ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তির উপায়। যাকাতের মাধ্যমে ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য কমে আসে, দারিদ্র বিমোচন ও কর্মসংস্থান হয়। যাকাতের মাধ্যমে অর্থ অহমিকার বিলোপ সাধন করে ও ঈমানী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আত্মিক শান্তি লাভ এবং আল্লাহর নিয়ামতের শোকর করা যায়। যাকাত সম্পদ ও ব্যক্তিকে পবিত্র করে। যাকাতের অর্থ আয়করমুক্ত। পরবর্তীতে মুক্ত আলোচনায় যাকাত সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন উপস্থিত আলেমগণ। প্রধান অতিথি বলেন, রমজান মাস সংযমের মাস, মূল্যবোধ সুদৃঢ়করণের মাস। আমাদের ধর্মবিশ্বাস অনুযায়ী, অন্যান্য মাসের তুলনায় রমজান মাসে নেক আমলের সওয়াব ৭০ গুণ বেশি দেওয়া হয়। যাকাত ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফরজ রুকন। ইসলামে জীবন বিধান সহজ করা হয়েছে, কিন্তু ট্যাক্স ফাঁকির মতো আমরা যাকাত দিতেও ফাঁক-ফোকর খুঁজি। হযরত ওমর (রা.) এর সময় যাকাত ব্যবস্থাপনা এতো সুন্দর ছিল যে যাকাত নেওয়ার মতো লোক খুঁজে পাওয়া যেত না। কিন্তু বর্তমানে যাকাত প্রদান জনগণকে ফোকাস করে হয়ে গেছে। সে স্থান থেকে বেরিয়ে যথাযথ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে যাকাত ব্যক্তিকে এমনভাবে দিতে হবে যেন তিনি স্বাবলম্বী হতে পারেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। এক্ষেত্রে ইসলামিক ফাউন্ডেশন ব্যক্তিকে ছাগল, সেলাই মেশিন বা রিকশা প্রদানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করতে পারে। সরকারি ফান্ডে যাকাত প্রদানের বিষয়ে শুক্রবারের জুমুআর খুতবা এবং নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে প্রচারণা চালাতে হবে। এ সময় তিনি যাকাত প্রদানকারী ব্যক্তিদের যাকাতের একটা নির্দিষ্ট অংশ সরকারি যাকাত ফান্ডে জমা দেওয়ার আহ্বান জানান।

© All rights reserved © 2022

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি