1. dailyjanatarshakti@dailyjanatarshakti.com : dailyjanatarshakti : dailyjanatarshakti
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
কিশোরগঞ্জে শ্রমিক অধিকার পরিষদের সভাপতির ওপর হামলা - dailyjanatarshakti
শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন

কিশোরগঞ্জে শ্রমিক অধিকার পরিষদের সভাপতির ওপর হামলা

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৫২ Time View

কিশোরগঞ্জে শ্রমিক অধিকার পরিষদের সভাপতির ওপর হামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক, কিশোরগঞ্জ:
কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার বিন্নাটী ইউনিয়নে অবৈধভাবে ড্রাম ট্রাক ও লড়ি দিয়ে মাটি পরিবহনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে শ্রমিক অধিকার পরিষদ কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি মো. নূরুল হক (৩৮) এর ওপর সশস্ত্র হামলা ও অপহরণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে কালটিয়া এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কালটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও এডভোকেট আবুল হাসেম এন্ড ফ্রেন্ডস কিন্ডারগার্টেন সংলগ্ন সড়ক দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ড্রাম ট্রাকযোগে মাটি ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র। এতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়ার পাশাপাশি সরকারি রাস্তার ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছিল বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। এ অবস্থায় এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে নূরুল হক অবৈধ মাটি পরিবহনে বাধা দেন।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সুজন মিয়ার নেতৃত্বে ১০-১২টি মোটরসাইকেল ও অটোরিকশাযোগে ৭০-৮০ জনের একটি সশস্ত্র দল লোহার রড, রামদা, চাপাতিসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়। হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর আহত করে। একপর্যায়ে তাকে জোরপূর্বক অটোরিকশায় তুলে অপহরণের চেষ্টা করা হলে তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে উদ্ধার করেন। পরে হামলাকারীরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

গুরুতর আহত নূরুল হক বর্তমানে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল এ চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে কিশোরগঞ্জ মডেল থানা-য় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এলাকাবাসী হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

দারিদ্র বিমোচনে যাকাতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য শীর্ষক সেমিনার মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সরকারি যাকাত ফান্ডে যাকাত সংগ্রহের লক্ষ্যে জেলা পর্যায়ে ‘ দারিদ্র বিমোচনে যাকাতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য’ শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি বুধবার ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমান, সভাপতিত্ব করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক মোঃ হাবেজ আহমেদ। ইসলামিক ফাউন্ডেশন আয়োজিত এ সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রেজা মোঃ গোলাম মাসুম প্রধান , সিভিল সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) ডা. ফয়সল আহমেদ, স্থানীয় আলেম-উলামাসহ ময়মনসিংহের জেলা পর্যায়ের দপ্তরপ্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন। যাকাত ইসলামের ৫টি স্তম্ভের একটি। নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক অর্থাৎ সাড়ে সাত তোলা স্বর্ণ অথবা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপা অথবা এর সমতুল্য সম্পদ বা টাকা এক বৎসরকাল অতিবাহিত হলে তার উপর শতকরা আড়াই টাকা বা হাজারে পঁচিশ টাকা হারে যাকাত ফরয। যাকাত ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ রুকন ও আর্থিক ইবাদত। আটটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে যাকাতের অর্থ প্রদান করা যায় যা কুরআন ও সুন্নাহ দ্বারা নির্ধারিত। যাকাত তাকওয়া ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তির উপায়। যাকাতের মাধ্যমে ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য কমে আসে, দারিদ্র বিমোচন ও কর্মসংস্থান হয়। যাকাতের মাধ্যমে অর্থ অহমিকার বিলোপ সাধন করে ও ঈমানী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আত্মিক শান্তি লাভ এবং আল্লাহর নিয়ামতের শোকর করা যায়। যাকাত সম্পদ ও ব্যক্তিকে পবিত্র করে। যাকাতের অর্থ আয়করমুক্ত। পরবর্তীতে মুক্ত আলোচনায় যাকাত সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন উপস্থিত আলেমগণ। প্রধান অতিথি বলেন, রমজান মাস সংযমের মাস, মূল্যবোধ সুদৃঢ়করণের মাস। আমাদের ধর্মবিশ্বাস অনুযায়ী, অন্যান্য মাসের তুলনায় রমজান মাসে নেক আমলের সওয়াব ৭০ গুণ বেশি দেওয়া হয়। যাকাত ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফরজ রুকন। ইসলামে জীবন বিধান সহজ করা হয়েছে, কিন্তু ট্যাক্স ফাঁকির মতো আমরা যাকাত দিতেও ফাঁক-ফোকর খুঁজি। হযরত ওমর (রা.) এর সময় যাকাত ব্যবস্থাপনা এতো সুন্দর ছিল যে যাকাত নেওয়ার মতো লোক খুঁজে পাওয়া যেত না। কিন্তু বর্তমানে যাকাত প্রদান জনগণকে ফোকাস করে হয়ে গেছে। সে স্থান থেকে বেরিয়ে যথাযথ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে যাকাত ব্যক্তিকে এমনভাবে দিতে হবে যেন তিনি স্বাবলম্বী হতে পারেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। এক্ষেত্রে ইসলামিক ফাউন্ডেশন ব্যক্তিকে ছাগল, সেলাই মেশিন বা রিকশা প্রদানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করতে পারে। সরকারি ফান্ডে যাকাত প্রদানের বিষয়ে শুক্রবারের জুমুআর খুতবা এবং নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে প্রচারণা চালাতে হবে। এ সময় তিনি যাকাত প্রদানকারী ব্যক্তিদের যাকাতের একটা নির্দিষ্ট অংশ সরকারি যাকাত ফান্ডে জমা দেওয়ার আহ্বান জানান।

দারিদ্র বিমোচনে যাকাতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য শীর্ষক সেমিনার মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সরকারি যাকাত ফান্ডে যাকাত সংগ্রহের লক্ষ্যে জেলা পর্যায়ে ‘ দারিদ্র বিমোচনে যাকাতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য’ শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি বুধবার ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমান, সভাপতিত্ব করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক মোঃ হাবেজ আহমেদ। ইসলামিক ফাউন্ডেশন আয়োজিত এ সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রেজা মোঃ গোলাম মাসুম প্রধান , সিভিল সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) ডা. ফয়সল আহমেদ, স্থানীয় আলেম-উলামাসহ ময়মনসিংহের জেলা পর্যায়ের দপ্তরপ্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন। যাকাত ইসলামের ৫টি স্তম্ভের একটি। নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক অর্থাৎ সাড়ে সাত তোলা স্বর্ণ অথবা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপা অথবা এর সমতুল্য সম্পদ বা টাকা এক বৎসরকাল অতিবাহিত হলে তার উপর শতকরা আড়াই টাকা বা হাজারে পঁচিশ টাকা হারে যাকাত ফরয। যাকাত ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ রুকন ও আর্থিক ইবাদত। আটটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে যাকাতের অর্থ প্রদান করা যায় যা কুরআন ও সুন্নাহ দ্বারা নির্ধারিত। যাকাত তাকওয়া ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তির উপায়। যাকাতের মাধ্যমে ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য কমে আসে, দারিদ্র বিমোচন ও কর্মসংস্থান হয়। যাকাতের মাধ্যমে অর্থ অহমিকার বিলোপ সাধন করে ও ঈমানী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আত্মিক শান্তি লাভ এবং আল্লাহর নিয়ামতের শোকর করা যায়। যাকাত সম্পদ ও ব্যক্তিকে পবিত্র করে। যাকাতের অর্থ আয়করমুক্ত। পরবর্তীতে মুক্ত আলোচনায় যাকাত সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন উপস্থিত আলেমগণ। প্রধান অতিথি বলেন, রমজান মাস সংযমের মাস, মূল্যবোধ সুদৃঢ়করণের মাস। আমাদের ধর্মবিশ্বাস অনুযায়ী, অন্যান্য মাসের তুলনায় রমজান মাসে নেক আমলের সওয়াব ৭০ গুণ বেশি দেওয়া হয়। যাকাত ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফরজ রুকন। ইসলামে জীবন বিধান সহজ করা হয়েছে, কিন্তু ট্যাক্স ফাঁকির মতো আমরা যাকাত দিতেও ফাঁক-ফোকর খুঁজি। হযরত ওমর (রা.) এর সময় যাকাত ব্যবস্থাপনা এতো সুন্দর ছিল যে যাকাত নেওয়ার মতো লোক খুঁজে পাওয়া যেত না। কিন্তু বর্তমানে যাকাত প্রদান জনগণকে ফোকাস করে হয়ে গেছে। সে স্থান থেকে বেরিয়ে যথাযথ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে যাকাত ব্যক্তিকে এমনভাবে দিতে হবে যেন তিনি স্বাবলম্বী হতে পারেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। এক্ষেত্রে ইসলামিক ফাউন্ডেশন ব্যক্তিকে ছাগল, সেলাই মেশিন বা রিকশা প্রদানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করতে পারে। সরকারি ফান্ডে যাকাত প্রদানের বিষয়ে শুক্রবারের জুমুআর খুতবা এবং নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে প্রচারণা চালাতে হবে। এ সময় তিনি যাকাত প্রদানকারী ব্যক্তিদের যাকাতের একটা নির্দিষ্ট অংশ সরকারি যাকাত ফান্ডে জমা দেওয়ার আহ্বান জানান।

© All rights reserved © 2022

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি