1. dailyjanatarshakti@dailyjanatarshakti.com : dailyjanatarshakti : dailyjanatarshakti
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
বাংলাদেশ পুলিশ-এ নতুন অধ্যায়: দায়িত্ব নিলেন মোঃ আলী হোসেন ফকির-প্রত্যাশা দৃশ্যমান আইনের শাসন - dailyjanatarshakti
বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশ পুলিশ-এ নতুন অধ্যায়: দায়িত্ব নিলেন মোঃ আলী হোসেন ফকির-প্রত্যাশা দৃশ্যমান আইনের শাসন

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৩৭ Time View

বাংলাদেশ পুলিশ-এ নতুন অধ্যায়: দায়িত্ব নিলেন মোঃ আলী হোসেন ফকির-প্রত্যাশা দৃশ্যমান আইনের শাসন

বিশেষ প্রতিবেদক–রবিউল আউয়াল
বাংলাদেশ পুলিশের নবনিযুক্ত ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) মোঃ আলী হোসেন ফকির বুধবার সকালে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। দায়িত্ব গ্রহণের আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) তাঁকে আইজিপি পদে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে। তিনি বিদায়ী আইজিপি বাহারুল আলম বিপিএম-এর স্থলাভিষিক্ত হলেন। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে পৌঁছালে একটি সুসজ্জিত দল তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাপনায় নতুন নেতৃত্বের আনুষ্ঠানিক সূচনা হলো। পেশাগত পথচলা ও অভিজ্ঞতা: ১৯৯৫ সালের ১৫ নভেম্বর ১৫তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে পুলিশে যোগ দেন মোঃ আলী হোসেন ফকির। প্রায় তিন দশকের কর্মজীবনে তিনি সততা,দক্ষতা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি নেত্রকোনা,ফেনী ও মাগুরা জেলার পুলিশ সুপার ছিলেন। র‍্যাপিড রেসপন্স ফোর্স (আরআরএফ) সিলেটের কমান্ড্যান্ট এবং ৩ এপিবিএন খুলনা,৫ এপিবিএন ঢাকা ও ৭ এপিবিএন সিলেটের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ডিআইজি হিসেবে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স ও এসপিবিএন-এ কর্মরত ছিলেন।
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কসোভো ও আইভরি কোস্টে দায়িত্ব পালন করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তিনি অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। সরকারি দায়িত্ব ও প্রশিক্ষণসূত্রে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনসহ বিভিন্ন দেশ সফর করেছেন। শিক্ষাজীবনে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ম্যানেজমেন্টে বিকম (অনার্স), এমকম ও এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন।
১৯৬৮ সালের ৫ এপ্রিল বাগেরহাট জেলায় জন্ম নেওয়া এই কর্মকর্তা ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত এবং এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের জনক।
নতুন নেতৃত্বে নতুন প্রত্যাশা: নতুন আইজিপির দায়িত্ব গ্রহণের খবর প্রকাশের পর দেশের বিভিন্ন স্তরে আশাবাদের সুর শোনা যাচ্ছে। কারণ, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন জেলায় চাঁদাবাজি, সশস্ত্র হামলা,লুটপাট,দখলবাজি ও মাদকসংক্রান্ত অপরাধ নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। ব্যবসায়ী, ঠিকাদার,ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল ব্যক্তি থেকে শুরু করে সাংবাদিক—অনেকেই নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। কোথাও কোথাও একই চক্রের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ জমা পড়লেও দৃশ্যমান ও দ্রুত আইনি অগ্রগতির অভাব নিয়ে জনমনে সংশয় রয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে নতুন নেতৃত্বের কাছে মানুষের প্রত্যাশা কয়েকটি বিষয়ে স্পষ্ট—১.আইনের সমতা বিষয়ে কঠোর বার্তা,দল,পরিচয় বা প্রভাব নয়—অপরাধই হবে বিবেচ্য বিষয়। মাঠপর্যায়ে একটি স্পষ্ট ও দৃশ্যমান বার্তা গেলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ২.দৃশ্যমান ও সমন্বিত অভিযান,শুধু নির্দেশনা নয়; ঝুঁকিভিত্তিক নজরদারি,সমন্বিত অভিযান,দ্রুত তদন্ত ও সময়মতো চার্জশিট—এসব পদক্ষেপ বাস্তব ফল বয়ে আনবে—এমন প্রত্যাশা রয়েছে। অপরাধী যদি বুঝতে পারে যে ছাড় নেই,তখনই প্রতিরোধ কার্যকর হবে। ৩.ভুক্তভোগী ও সাক্ষী সুরক্ষা:
অভিযোগকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে মানুষ সাহস পাবে। অনেক ক্ষেত্রে প্রতিশোধের আশঙ্কায় অভিযোগ তুলতে অনীহা দেখা যায়। কার্যকর সুরক্ষা ব্যবস্থাই আস্থা ফিরিয়ে আনতে পারে। ৪.জবাবদিহিমূলক ও প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিং: থানায় অভিযোগ নিয়ে গিয়ে হয়রানি বা দীর্ঘসূত্রতা যেন না হয়—এটি এখন নাগরিকের মৌলিক দাবি। প্রযুক্তিনির্ভর অভিযোগ গ্রহণ, অনলাইন ট্র্যাকিং ও তদারকি জোরদার হলে স্বচ্ছতা বাড়বে এবং জনআস্থা দ্রুত ফিরে আসবে। বাস্তবতার মুখোমুখি প্রত্যাশা:
আইনশৃঙ্খলা রক্ষা কেবল প্রশাসনিক দায়িত্ব নয়; এটি রাষ্ট্র ও নাগরিকের পারস্পরিক আস্থার ভিত্তি। অভিযোগ মানেই অপরাধ প্রমাণ নয়—তবে স্বচ্ছ,সময়োপযোগী ও নিরপেক্ষ তদন্তই পারে সত্য উদ্‌ঘাটন করতে এবং আস্থা ফিরিয়ে আনতে। নতুন আইজিপির নেতৃত্বে যদি চাঁদাবাজি,সন্ত্রাস,মাদক ও দখলবাজির বিরুদ্ধে দৃশ্যমান,সমন্বিত ও নিরপেক্ষ উদ্যোগ জোরদার হয়,তবে শুধু একটি অঞ্চল নয়—সারা দেশের মানুষ স্বস্তি পাবে। বাংলাদেশের মানুষ এখন কাগুজে ঘোষণা নয়,বাস্তব পরিবর্তন দেখতে চায়। আইনের শাসন হোক সমান,কার্যকর ও দৃশ্যমান—এই প্রত্যাশাই আজ সবচেয়ে বড় আশাবাদ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

দারিদ্র বিমোচনে যাকাতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য শীর্ষক সেমিনার মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সরকারি যাকাত ফান্ডে যাকাত সংগ্রহের লক্ষ্যে জেলা পর্যায়ে ‘ দারিদ্র বিমোচনে যাকাতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য’ শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি বুধবার ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমান, সভাপতিত্ব করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক মোঃ হাবেজ আহমেদ। ইসলামিক ফাউন্ডেশন আয়োজিত এ সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রেজা মোঃ গোলাম মাসুম প্রধান , সিভিল সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) ডা. ফয়সল আহমেদ, স্থানীয় আলেম-উলামাসহ ময়মনসিংহের জেলা পর্যায়ের দপ্তরপ্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন। যাকাত ইসলামের ৫টি স্তম্ভের একটি। নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক অর্থাৎ সাড়ে সাত তোলা স্বর্ণ অথবা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপা অথবা এর সমতুল্য সম্পদ বা টাকা এক বৎসরকাল অতিবাহিত হলে তার উপর শতকরা আড়াই টাকা বা হাজারে পঁচিশ টাকা হারে যাকাত ফরয। যাকাত ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ রুকন ও আর্থিক ইবাদত। আটটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে যাকাতের অর্থ প্রদান করা যায় যা কুরআন ও সুন্নাহ দ্বারা নির্ধারিত। যাকাত তাকওয়া ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তির উপায়। যাকাতের মাধ্যমে ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য কমে আসে, দারিদ্র বিমোচন ও কর্মসংস্থান হয়। যাকাতের মাধ্যমে অর্থ অহমিকার বিলোপ সাধন করে ও ঈমানী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আত্মিক শান্তি লাভ এবং আল্লাহর নিয়ামতের শোকর করা যায়। যাকাত সম্পদ ও ব্যক্তিকে পবিত্র করে। যাকাতের অর্থ আয়করমুক্ত। পরবর্তীতে মুক্ত আলোচনায় যাকাত সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন উপস্থিত আলেমগণ। প্রধান অতিথি বলেন, রমজান মাস সংযমের মাস, মূল্যবোধ সুদৃঢ়করণের মাস। আমাদের ধর্মবিশ্বাস অনুযায়ী, অন্যান্য মাসের তুলনায় রমজান মাসে নেক আমলের সওয়াব ৭০ গুণ বেশি দেওয়া হয়। যাকাত ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফরজ রুকন। ইসলামে জীবন বিধান সহজ করা হয়েছে, কিন্তু ট্যাক্স ফাঁকির মতো আমরা যাকাত দিতেও ফাঁক-ফোকর খুঁজি। হযরত ওমর (রা.) এর সময় যাকাত ব্যবস্থাপনা এতো সুন্দর ছিল যে যাকাত নেওয়ার মতো লোক খুঁজে পাওয়া যেত না। কিন্তু বর্তমানে যাকাত প্রদান জনগণকে ফোকাস করে হয়ে গেছে। সে স্থান থেকে বেরিয়ে যথাযথ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে যাকাত ব্যক্তিকে এমনভাবে দিতে হবে যেন তিনি স্বাবলম্বী হতে পারেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। এক্ষেত্রে ইসলামিক ফাউন্ডেশন ব্যক্তিকে ছাগল, সেলাই মেশিন বা রিকশা প্রদানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করতে পারে। সরকারি ফান্ডে যাকাত প্রদানের বিষয়ে শুক্রবারের জুমুআর খুতবা এবং নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে প্রচারণা চালাতে হবে। এ সময় তিনি যাকাত প্রদানকারী ব্যক্তিদের যাকাতের একটা নির্দিষ্ট অংশ সরকারি যাকাত ফান্ডে জমা দেওয়ার আহ্বান জানান।

দারিদ্র বিমোচনে যাকাতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য শীর্ষক সেমিনার মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সরকারি যাকাত ফান্ডে যাকাত সংগ্রহের লক্ষ্যে জেলা পর্যায়ে ‘ দারিদ্র বিমোচনে যাকাতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য’ শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি বুধবার ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমান, সভাপতিত্ব করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক মোঃ হাবেজ আহমেদ। ইসলামিক ফাউন্ডেশন আয়োজিত এ সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রেজা মোঃ গোলাম মাসুম প্রধান , সিভিল সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) ডা. ফয়সল আহমেদ, স্থানীয় আলেম-উলামাসহ ময়মনসিংহের জেলা পর্যায়ের দপ্তরপ্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন। যাকাত ইসলামের ৫টি স্তম্ভের একটি। নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক অর্থাৎ সাড়ে সাত তোলা স্বর্ণ অথবা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপা অথবা এর সমতুল্য সম্পদ বা টাকা এক বৎসরকাল অতিবাহিত হলে তার উপর শতকরা আড়াই টাকা বা হাজারে পঁচিশ টাকা হারে যাকাত ফরয। যাকাত ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ রুকন ও আর্থিক ইবাদত। আটটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে যাকাতের অর্থ প্রদান করা যায় যা কুরআন ও সুন্নাহ দ্বারা নির্ধারিত। যাকাত তাকওয়া ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তির উপায়। যাকাতের মাধ্যমে ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য কমে আসে, দারিদ্র বিমোচন ও কর্মসংস্থান হয়। যাকাতের মাধ্যমে অর্থ অহমিকার বিলোপ সাধন করে ও ঈমানী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আত্মিক শান্তি লাভ এবং আল্লাহর নিয়ামতের শোকর করা যায়। যাকাত সম্পদ ও ব্যক্তিকে পবিত্র করে। যাকাতের অর্থ আয়করমুক্ত। পরবর্তীতে মুক্ত আলোচনায় যাকাত সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন উপস্থিত আলেমগণ। প্রধান অতিথি বলেন, রমজান মাস সংযমের মাস, মূল্যবোধ সুদৃঢ়করণের মাস। আমাদের ধর্মবিশ্বাস অনুযায়ী, অন্যান্য মাসের তুলনায় রমজান মাসে নেক আমলের সওয়াব ৭০ গুণ বেশি দেওয়া হয়। যাকাত ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফরজ রুকন। ইসলামে জীবন বিধান সহজ করা হয়েছে, কিন্তু ট্যাক্স ফাঁকির মতো আমরা যাকাত দিতেও ফাঁক-ফোকর খুঁজি। হযরত ওমর (রা.) এর সময় যাকাত ব্যবস্থাপনা এতো সুন্দর ছিল যে যাকাত নেওয়ার মতো লোক খুঁজে পাওয়া যেত না। কিন্তু বর্তমানে যাকাত প্রদান জনগণকে ফোকাস করে হয়ে গেছে। সে স্থান থেকে বেরিয়ে যথাযথ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে যাকাত ব্যক্তিকে এমনভাবে দিতে হবে যেন তিনি স্বাবলম্বী হতে পারেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। এক্ষেত্রে ইসলামিক ফাউন্ডেশন ব্যক্তিকে ছাগল, সেলাই মেশিন বা রিকশা প্রদানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করতে পারে। সরকারি ফান্ডে যাকাত প্রদানের বিষয়ে শুক্রবারের জুমুআর খুতবা এবং নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে প্রচারণা চালাতে হবে। এ সময় তিনি যাকাত প্রদানকারী ব্যক্তিদের যাকাতের একটা নির্দিষ্ট অংশ সরকারি যাকাত ফান্ডে জমা দেওয়ার আহ্বান জানান।

© All rights reserved © 2022

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি