1. dailyjanatarshakti@dailyjanatarshakti.com : dailyjanatarshakti : dailyjanatarshakti
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
গাছে গাছে আমের মুকুল ছড়াচ্ছে স্বর্ণালি আভা সঞ্জিত চন্দ্র শীল হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি: চলছে ফাল্গুন মাস। এরই মধ্যে সর্বত্র গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে আমের মুকুল। সামান্য দৃষ্টি নিক্ষেপেই চোখে পড়ে মুকুলে ছেয়ে আছে অসংখ্য আমগাছ। এভাবে ফাল্গুনের শুরুতেই গাছে গাছে প্রস্ফুটিত আমের মুকুল সর্বত্র ছড়াচ্ছে হাল্কা স্বর্ণালি আভা। এরই মধ্যে দেশের অন্যান্য স্থানের মতো কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার বিভিন্ন গাছেও একইভাবে উঁকি দিতে শুরু করেছে আম্রমুকুল। গাছে গাছে আগাম মুকুলের দেখা মেলায় চাষিরা বেশ খুশি। তারা ইতোমধ্যে বাগানের পরিচর্যা শুরু করে দিয়েছেন।তবে এবার মাঘের শুরু থেকে প্রস্ফুটিত হতে শুরু করেছে মুকুল। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার গাছে গাছে মুকুলের সমারোহ ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। বড় ধরনের কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না ঘটলে এবার আমের বাম্পার ফলন হবে। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, হোসেনপুর উপজেলার জিনারী, গোবিন্দপুর,সিদলা,আড়াই বাড়িয়া, পুমদি ও পৌরসভা সহ এলাকায় আমগাছে মুকুল আসতে শুরু করেছে। কিছু কিছু গাছে মুকুলের পরিমাণ কম হলেও সৌরভ ছড়াচ্ছে বাতাসে। বাগানের গাছগুলোর যত্ন নিতে পরিশ্রম শুরু করে দিয়েছেন চাষিরা। ভাল ফলনের আশায় জোরেশোরে বাগান পরিচর্যায় ব্যস্ত তারা। হোসেনপুরের বিভিন্ন এলাকাজুড়ে এখনও শীতের আমেজ বিরাজ করলেও আগাম জাতের আমগাছে মুকুল আসতে শুরু করেছে। এ অঞ্চলে ৩৫ থেকে ৪০ জাতের আম চাষ হয়ে থাকে। আর সারা বাংলাদেশে রয়েছে ২শ' ৫০ জাতের। এর মধ্যে উলেস্নখযোগ্য হচ্ছে ফজলী, গোপালভোগ, মোহনভোগ, ন্যাংড়া, ক্ষীরসাপাত, হিমসাগর, কৃষাণভোগ, মলিস্নকা, লক্ষণা, আম্রপলি, দুধসর, দুধকলম, বিন্দাবনী, আরজান, রাণী পসন, মিশ্রিদানা, সিঁন্দুরী, আশ্বিনা সেই সঙ্গে নানা প্রকার গুটিআম। ডিসেম্বরের শেষদিক থেকে জানুয়ারির মাঝামাঝি অবধি বারোমাসি বা লোকাল জাতের আমগাছে মুকুল আসা শুরু হয়। এবার জানুয়ারির শুরুতেই মুকুল আসা শুরু হয়েছে আগাম জাতের গাছে। ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝিতে মূলত আমগাছে মুকুল আসা শুরু হয়। এবার একটু আগেই প্রস্ফুটিত হচ্ছে আমের মুকুল। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মাসের মাঝামাঝিতে সব গাছে মুকুল দেখা যাবে বলে জানা যায়। প্রত্যেক বছরই কিছু গাছে আগাম মুকুল আসে। ঘন কুয়াশার কবলে না পড়লে, এসব মুকুলেও ভাল আম হবে।তবে নিয়ম মেনে মাঘের শেষদিকে যেসব গাছে মুকুল আসে, তাতে ভাল ফলন হয়। কৃষি বিভাগ জানায়, আমের ফলন নির্ভর করে আবহাওয়ার ওপর। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর আমের বাম্পার ফলনের আশা করছেন বাগান মালিকরাও। রোগবালাইয়ের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী পরিচর্যার প্রয়োজনীয় ওষুধ স্প্রে করছেন তারা। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ মহসিন জানান, এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আমের উৎপাদন বিগত বছরের তুলনায় অনেক বেশি পাওয়ার আশা করা যাচ্ছে।আমবাগানের সঠিক পরিচর্যা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতে সার্বক্ষণিক কৃষি বিভাগের মাঠকর্মীরা নিয়োজিত রয়েছেন।তবে বাণিজ্যিকভাবে এখনো আম চাষ এ উপজেলা শুরু হয়নি। - dailyjanatarshakti
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৫৯ অপরাহ্ন

গাছে গাছে আমের মুকুল ছড়াচ্ছে স্বর্ণালি আভা সঞ্জিত চন্দ্র শীল হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি: চলছে ফাল্গুন মাস। এরই মধ্যে সর্বত্র গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে আমের মুকুল। সামান্য দৃষ্টি নিক্ষেপেই চোখে পড়ে মুকুলে ছেয়ে আছে অসংখ্য আমগাছ। এভাবে ফাল্গুনের শুরুতেই গাছে গাছে প্রস্ফুটিত আমের মুকুল সর্বত্র ছড়াচ্ছে হাল্কা স্বর্ণালি আভা। এরই মধ্যে দেশের অন্যান্য স্থানের মতো কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার বিভিন্ন গাছেও একইভাবে উঁকি দিতে শুরু করেছে আম্রমুকুল। গাছে গাছে আগাম মুকুলের দেখা মেলায় চাষিরা বেশ খুশি। তারা ইতোমধ্যে বাগানের পরিচর্যা শুরু করে দিয়েছেন।তবে এবার মাঘের শুরু থেকে প্রস্ফুটিত হতে শুরু করেছে মুকুল। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার গাছে গাছে মুকুলের সমারোহ ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। বড় ধরনের কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না ঘটলে এবার আমের বাম্পার ফলন হবে। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, হোসেনপুর উপজেলার জিনারী, গোবিন্দপুর,সিদলা,আড়াই বাড়িয়া, পুমদি ও পৌরসভা সহ এলাকায় আমগাছে মুকুল আসতে শুরু করেছে। কিছু কিছু গাছে মুকুলের পরিমাণ কম হলেও সৌরভ ছড়াচ্ছে বাতাসে। বাগানের গাছগুলোর যত্ন নিতে পরিশ্রম শুরু করে দিয়েছেন চাষিরা। ভাল ফলনের আশায় জোরেশোরে বাগান পরিচর্যায় ব্যস্ত তারা। হোসেনপুরের বিভিন্ন এলাকাজুড়ে এখনও শীতের আমেজ বিরাজ করলেও আগাম জাতের আমগাছে মুকুল আসতে শুরু করেছে। এ অঞ্চলে ৩৫ থেকে ৪০ জাতের আম চাষ হয়ে থাকে। আর সারা বাংলাদেশে রয়েছে ২শ’ ৫০ জাতের। এর মধ্যে উলেস্নখযোগ্য হচ্ছে ফজলী, গোপালভোগ, মোহনভোগ, ন্যাংড়া, ক্ষীরসাপাত, হিমসাগর, কৃষাণভোগ, মলিস্নকা, লক্ষণা, আম্রপলি, দুধসর, দুধকলম, বিন্দাবনী, আরজান, রাণী পসন, মিশ্রিদানা, সিঁন্দুরী, আশ্বিনা সেই সঙ্গে নানা প্রকার গুটিআম। ডিসেম্বরের শেষদিক থেকে জানুয়ারির মাঝামাঝি অবধি বারোমাসি বা লোকাল জাতের আমগাছে মুকুল আসা শুরু হয়। এবার জানুয়ারির শুরুতেই মুকুল আসা শুরু হয়েছে আগাম জাতের গাছে। ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝিতে মূলত আমগাছে মুকুল আসা শুরু হয়। এবার একটু আগেই প্রস্ফুটিত হচ্ছে আমের মুকুল। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মাসের মাঝামাঝিতে সব গাছে মুকুল দেখা যাবে বলে জানা যায়। প্রত্যেক বছরই কিছু গাছে আগাম মুকুল আসে। ঘন কুয়াশার কবলে না পড়লে, এসব মুকুলেও ভাল আম হবে।তবে নিয়ম মেনে মাঘের শেষদিকে যেসব গাছে মুকুল আসে, তাতে ভাল ফলন হয়। কৃষি বিভাগ জানায়, আমের ফলন নির্ভর করে আবহাওয়ার ওপর। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর আমের বাম্পার ফলনের আশা করছেন বাগান মালিকরাও। রোগবালাইয়ের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী পরিচর্যার প্রয়োজনীয় ওষুধ স্প্রে করছেন তারা। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ মহসিন জানান, এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আমের উৎপাদন বিগত বছরের তুলনায় অনেক বেশি পাওয়ার আশা করা যাচ্ছে।আমবাগানের সঠিক পরিচর্যা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতে সার্বক্ষণিক কৃষি বিভাগের মাঠকর্মীরা নিয়োজিত রয়েছেন।তবে বাণিজ্যিকভাবে এখনো আম চাষ এ উপজেলা শুরু হয়নি।

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৮২ Time View

গাছে গাছে আমের মুকুল ছড়াচ্ছে স্বর্ণালি আভা

বিশেষ প্রতিনিধি এনামুল হক

হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি:

চলছে ফাল্গুন মাস। এরই মধ্যে সর্বত্র গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে আমের মুকুল। সামান্য দৃষ্টি নিক্ষেপেই চোখে পড়ে মুকুলে ছেয়ে আছে অসংখ্য আমগাছ। এভাবে ফাল্গুনের শুরুতেই গাছে গাছে প্রস্ফুটিত আমের মুকুল সর্বত্র ছড়াচ্ছে হাল্কা স্বর্ণালি আভা। এরই মধ্যে দেশের অন্যান্য স্থানের মতো কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার বিভিন্ন গাছেও একইভাবে উঁকি দিতে শুরু করেছে আম্রমুকুল। গাছে গাছে আগাম মুকুলের দেখা মেলায় চাষিরা বেশ খুশি। তারা ইতোমধ্যে বাগানের পরিচর্যা শুরু করে দিয়েছেন।তবে এবার মাঘের শুরু থেকে প্রস্ফুটিত হতে শুরু করেছে মুকুল। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার গাছে গাছে মুকুলের সমারোহ ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। বড় ধরনের কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না ঘটলে এবার আমের বাম্পার ফলন হবে।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, হোসেনপুর উপজেলার জিনারী, গোবিন্দপুর,সিদলা,আড়াই বাড়িয়া, পুমদি ও পৌরসভা সহ এলাকায় আমগাছে মুকুল আসতে শুরু করেছে। কিছু কিছু গাছে মুকুলের পরিমাণ কম হলেও সৌরভ ছড়াচ্ছে বাতাসে। বাগানের গাছগুলোর যত্ন নিতে পরিশ্রম শুরু করে দিয়েছেন চাষিরা। ভাল ফলনের আশায় জোরেশোরে বাগান পরিচর্যায় ব্যস্ত তারা। হোসেনপুরের বিভিন্ন এলাকাজুড়ে এখনও শীতের আমেজ বিরাজ করলেও আগাম জাতের আমগাছে মুকুল আসতে শুরু করেছে। এ অঞ্চলে ৩৫ থেকে ৪০ জাতের আম চাষ হয়ে থাকে। আর সারা বাংলাদেশে রয়েছে ২শ’ ৫০ জাতের। এর মধ্যে উলেস্নখযোগ্য হচ্ছে ফজলী, গোপালভোগ, মোহনভোগ, ন্যাংড়া, ক্ষীরসাপাত, হিমসাগর, কৃষাণভোগ, মলিস্নকা, লক্ষণা, আম্রপলি, দুধসর, দুধকলম, বিন্দাবনী, আরজান, রাণী পসন, মিশ্রিদানা, সিঁন্দুরী, আশ্বিনা সেই সঙ্গে নানা প্রকার গুটিআম। ডিসেম্বরের শেষদিক থেকে জানুয়ারির মাঝামাঝি অবধি বারোমাসি বা লোকাল জাতের আমগাছে মুকুল আসা শুরু হয়।

এবার জানুয়ারির শুরুতেই মুকুল আসা শুরু হয়েছে আগাম জাতের গাছে। ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝিতে মূলত আমগাছে মুকুল আসা শুরু হয়। এবার একটু আগেই প্রস্ফুটিত হচ্ছে আমের মুকুল। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মাসের মাঝামাঝিতে সব গাছে মুকুল দেখা যাবে বলে জানা যায়। প্রত্যেক বছরই কিছু গাছে আগাম মুকুল আসে। ঘন কুয়াশার কবলে না পড়লে, এসব মুকুলেও ভাল আম হবে।তবে নিয়ম মেনে মাঘের শেষদিকে যেসব গাছে মুকুল আসে, তাতে ভাল ফলন হয়। কৃষি বিভাগ জানায়, আমের ফলন নির্ভর করে আবহাওয়ার ওপর। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর আমের বাম্পার ফলনের আশা করছেন বাগান মালিকরাও। রোগবালাইয়ের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী পরিচর্যার প্রয়োজনীয় ওষুধ স্প্রে করছেন তারা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ মহসিন
জানান, এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আমের উৎপাদন বিগত বছরের তুলনায় অনেক বেশি পাওয়ার আশা করা যাচ্ছে।আমবাগানের সঠিক পরিচর্যা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতে সার্বক্ষণিক কৃষি বিভাগের মাঠকর্মীরা নিয়োজিত রয়েছেন।তবে বাণিজ্যিকভাবে এখনো আম চাষ এ উপজেলা শুরু হয়ন

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
আড়াইবাড়ীয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান সাবেক বিএনপি নেতা আবদুল কাইয়ুম ​বিশেষ প্রতিনিধি: আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার ৪নং আড়াইবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে প্রচারণা ও গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন বিএনপি নেতা ও সমাজসেবক আবদুল কাইয়ুম। ​তিনি ৪নং আড়াইবাড়ীয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং জিয়া স্মৃতি সংসদ-এর যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি এলাকার নানা সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছেন। ​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আবদুল কাইয়ুম ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে সাধারণ মানুষের সাথে নিয়মিত কুশল বিনিময় ও উঠান বৈঠক করছেন। স্থানীয় তৃণমূল নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে তিনি এ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ​সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আবদুল কাইয়ুম বলেন, “আড়াইবাড়ীয়া ইউনিয়নকে একটি দুর্নীতিমুক্ত, আধুনিক ও সুশাসিত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই আমার মূল লক্ষ্য। এলাকার অবহেলিত ও মেহনতি মানুষের সেবা এবং সামগ্রিক উন্নয়নে আমি সর্বদা পাশে থাকতে চাই।” ​রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের কাছে দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা কামনা করেছেন এই প্রার্থী।

© All rights reserved © 2022

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি