নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশজুড়ে নারী ও শিশুদের ওপর নির্মম নির্যাতন, ধর্ষণ এবং নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মতো জঘন্য অপরাধের পুনরাবৃত্তি সাধারণ মানুষের মনে তীব্র ক্ষোভ ও চরম নিরাপত্তাহীনতার জন্ম দিয়েছে। এই ধরনের অপরাধ সমাজ থেকে চিরতরে নির্মূল করতে এখন দেশের সর্বস্তরের নাগরিক, মানবাধিকার কর্মী এবং সচেতন সমাজ থেকে একটাই জোরালো দাবি উঠছে—অপরাধীদের জন্য সর্বোচ্চ ও কঠোরতম শাস্তি হিসেবে দ্রুততম সময়ে ফাঁসি বা মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা।
ভয়াবহ এই সামাজিক ব্যাধি রুখতে প্রচলিত আইনি কাঠামোর আমূল পরিবর্তন এবং দৃষ্টান্তমূলক প্রকাশ্য শাস্তির দাবি এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবিতে পরিণত হয়েছে।
অপরাধীদের মনে ভীতি সৃষ্টিতে কঠোর আইনের প্রয়োজনীয়তা
একটি নিরাপদ সমাজ গঠনের মূল ভিত্তি হলো অপরাধের দ্রুত বিচার এবং অপরাধ অনুযায়ী কঠোর দণ্ড। সাধারণ নাগরিক ও ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর স্পষ্ট অভিমত, প্রচলিত বিচার ব্যবস্থার দীর্ঘসূত্রতার কারণে অনেক সময় অপরাধীরা পার পেয়ে যায় বা পার পাওয়ার সুযোগ খোঁজে। ফলে অপরাধীদের মনে আইনের প্রতি কোনো ভয় কাজ করে না।
সচেতন মহলের মতে:
জিরো টলারেন্স ও দ্রুত ফাঁসি: ধর্ষণ ও খুনের মতো স্পর্শকাতর মামলায় কোনো ধরনের আপস না করে অপরাধীদের দ্রুততম সময়ে ফাঁসির রায় এবং তা কার্যকর করা জরুরি।
দৃষ্টান্তমূলক প্রকাশ্য শাস্তি: বিশ্বের অনেক দেশেই শিশু হত্যা বা জঘন্যতম অপরাধের ক্ষেত্রে জনসম্মুখে বা কঠোরতম উপায়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার নজির রয়েছে, যা অন্যান্য সম্ভাব্য অপরাধীদের মনে চরম ভীতি তৈরি করে। আমাদের দেশেও এমন কঠোর বার্তা দেওয়া প্রয়োজন যেন কেউ এই ধরনের অপরাধ করার সাহসই না পায়।
বিশ্ব প্রেক্ষাপট ও কঠোর শাস্তির কার্যকারিতা
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিচার ব্যবস্থা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, যেসব রাষ্ট্রে জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ও তাৎক্ষণিক শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে, সেখানে অপরাধের হার তুলনামূলকভাবে অনেক কম। র্তমান সংকট
প্রস্তাবিত ও দাবি করা সমাধান
চার প্রক্রিয়ার জটিলতা ও অপরাধীদের পার পেয়ে াওয়ার প্রবণতা।
বিশেষ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে ফাঁসি বা মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করা।
বল শাস্তির কারণে াপরাধীদের দুঃসাহস বৃদ্ধি।
বিশ্বের উন্নত বা কঠোর আইনের দেশের মতো প্রকাশ্যে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি (যেমন: প্রকাশ্য ফায়ারিং স্কোয়াড বা ফাঁসি) কার্যকর করা।
াধারণ মানুষের মনে তিনিয়ত আতঙ্ক ও উদ্বেগ।
আইনের কঠোর বাস্তবায়ন ও জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের মাধ্যমে শান্ত ও নিরাপদ সমাজ গঠন। সমাজ ও দেশকে নিরাপদ করার আকুল আবেদন
সরকার ও সংশ্লিষ্ট নীতি-নির্ধারকদের কাছে দেশের সাধারণ মানুষের এখন আকুল আবেদন—আইনকে এমন একটি কঠোর অবস্থানে নিয়ে যাওয়া হোক, যা অপরাধীদের জন্য একটি স্পষ্ট এবং চূড়ান্ত সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে সম্পাদকীয় মন্তব্য:
“একটি স্বাধীন ও সভ্য সমাজে নারী ও শিশুরাই যদি নিরাপদ না থাকে, তবে সার্বিক উন্নয়ন অর্থহীন হয়ে পড়ে। ধর্ষণ ও খুনের শিকার প্রতিটি মানুষ এবং তাদের পরিবারের বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। সমাজ ও দেশকে শান্ত ও নিরাপদ রাখতে কঠোর, আপসহীন এবং দৃষ্টান্তমূলক আইন প্রণয়ন ও তার জরুরি বাস্তবায়ন এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।”
© All rights reserved © 2022
Leave a Reply