হাফেজ বজলুর রশিদ শিক্ষক একাধিক নারীর জীবন নষ্ট করে পরকীয়ায় লিপ্ত দীর্ঘদিন যাবত ”
নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় দারুল হুদা হাফিজিয়া ও আলিম মাদ্রাসা
আশুলিয়া, সাভার, ঢাকা এলাকায় অবস্থিত জিরাবো বাসস্ট্যান্ডের পাশের গলিতেই ।
এই প্রতিষ্ঠানের তিনি সকলের চোখে একজন মাদ্রাসার শিক্ষক ভদ্র হিসেবে পরিচিত আলহামদুলিল্লাহ! অথচ এই বাতির নিচে অন্ধকার
ভাবতে গেলে গোটা পৃথিবীটাই অন্ধকার –
তিনি মাদ্রাসার পাশেই সোলেমান নামের ব্যক্তির বাসায় ভাড়া থাকে তার স্ত্রী পরিবার নিয়ে বলে জানা যায় এলাকার লোক বাইরে থেকে জানলেও তাদের স্বামী স্ত্রীর প্রচন্ড মিল কিন্তু ভিতরে ভিতরে এই হাফেজ বজলুর রশিদ গোপনে একাধিক মেয়ের সাথে পরকীয়াতে লিপ্ত সন্ধানে মিলে এসেছে তিনজনের নাম তাদের বসবাস তার বাসার পাশে একজন আর একজন থাকে জামগড়া এলাকায় আর একজন থাকে আব্দুল্লাহপুরে আমাদের অনুসন্ধান তথ্য মোতাবেক এই তিনজনাই সম্ভ্রান্ত পরিবারের বিবাহিত মহিলা তাদের মাঝে কারো স্বামী কাছে থাকে কারো যেকোনো কারণে দূরে থাকে তারই মাঝে উল্লেখিত আরো একজন আছে যিনি বিধবা আর এই সুযোগেই বিভিন্ন কৌশল খাটিয়ে বিভিন্ন লোক দ্বারা বিভিন্ন মহিলার সহযোগিতায় কায়দা কৌশল খাটিয়ে সে সকল মহিলাদেরকে জিম্মি করে তাদের সাথে দিনের পর দিন ফোনে প্রেম আলাপ চালিয়ে যায় বাস্তবতায় পরকীয়া এসব নিয়ে গোপনে চালিয়ে যাচ্ছে তার নীলা খেলা।
এখন প্রশ্ন গোটা জাতির কাছে মাদ্রাসার হাফেজ বজলুর রহমান একজন কোরআনের বাণীর বাহক এত সম্মানী ব্যাক্তি যদি এত নিকৃষ্ট কাজ করে তার কাছ থেকে এই সমাজ কি আশা করবে। তিনি প্রচুর চালাক প্রকৃতির বলে জানা গেছে খুব গভীরভাবে কৌশল খাটিয়ে এ সকল কার্যকলাপে লিপ্ত বহুদিন থেকে কথাই বলে না পাপ কখনো বাপকে ছাড়ে না। বিশ্বাস তো সূত্রে এই তথ্য পেয়ে তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেছে। যার সুস্পষ্ট প্রমান সহকারে পরবর্তী খুব অল্প সময়ের মাঝেই প্রকাশ করা হবে জনসম্মুখে। সমস্ত মুসলিম জনতার কাছে জাতির কাছে একটাই প্রশ্ন ইসলাম কি বলে তার ঘরের স্ত্রীকে বঞ্চিত করে গোপনে পর নারীর সাথে প্রেম আলাপ ফোন আলাপ এবং পরকীয়া লিপ্ত থাকতে যদি তাই না হবে তবে পরবর্তী নিউজ প্রকাশের পর জনসম্মুখে এই হাফেজ বজলুর রহমানের বিচারের সুনির্দিষ্ট দাবি জানাই এলাকাবাসী। সে সাথে এই কুকর্ম করার জন্য জড়িত আরো তার মাধ্যম হিসেবে দুইজন মহিলা কাজ করে আসছে এদের মধ্যে একজন অন্যতম । এখানে সকলের সম্ভ্রান্ত পরিবারের সম্মানী হওয়ার জন্য কারো নাম ঠিকানা প্রকাশ করা হলো না প্রয়োজনে পরবর্তীতে তা প্রকাশ করা হবে। এই ভন্ড হুজুরের বিচার যেন সুনির্দিষ্ট ভাবে হয় এবং অতি দ্রুত এই দাবি অত্র এলাকাবাসীর।
© All rights reserved © 2022
Leave a Reply