
প্রতিনিধি বুলবুল মিয়া :কিশোরগঞ্জ জেলা হোসেনপুর উপজেলা বন বিভাগের আওতায় হোসেনপুর দেওয়ানগঞ্জ সড়কের গড় বিশুদিয়া, হোগলাকান্দি দুই এলাকার মধ্যে কিশোরগঞ্জ বন বিভাগ এর অধিন হোসেনপুর বন বিভাগের আওতায় 2000,2001 আর্থিক সনে সড়ক বনয়নের ০১ কিলিমিটার পযর্ন্ত ১০০০ টি বিভিন্ন ধরনের গাছ রোপন করা হয়। গাছগুলি দেখা শোনা করার জন্য হোসেনপুর প্রশিক্ষা সমিতির ৫ জন মহিলা সদস্য ভূমি মালিক সংস্থা এলজিইডি ও বন বিভাগ হোসেনপুর, কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ অঞ্চল ১০ বছর মেয়াদী চুক্তি করা হয়। বর্তমানে চুক্তির মেয়াদ ১৩ বছর । বর্তমানে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ গোরীপুর, গাজীপুর হইতে হোসেনপুর পুর পযর্ন্ত রাস্তার প্রস্থকরণ ও সংস্কার করণ হোসেনপুর বন বিভাগ কর্তৃক বনায়নকৃত স্থানে বন বিভাগ কর্তৃত সৃজিত বাগানের ২৯৯টি গাছ ময়মনসিংহ বন বিভাগের নির্দেশে গাছের ছাল তোলা মার্কি এর কাজ করা এবং গোপন টেন্ডারে বিক্রি করার জন্য টেন্ডারে দেওয়া হয়। গোপন টেন্ডারের মাধ্যমে উল্লেখিত স্থানে গাছ সমূহ ২৩/১১/২০২২ বিক্রয় করা হয়। বিক্রিত গাছের মার্কিং সহ লাম্বারকৃত কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদ প্রদান র্নিবাহী কর্মকর্তা লাল কালির দাগ সাদা কালি দিয়া মুছে ফেলে । জেলা পরিষদ কিশোরগঞ্জ তাদের গাছ বলে দাবী করে। এটি বন বিভাগের গাছ নই বলে মন্তব্য করে। ত্রিপ্রক্রিয়া চুক্তি বন বিভাগ ময়মনসিংহ, ভূমি মালিক সমিতি, ও প্রশিক্ষা মননীত উপকার ভুগী। দেখানোর পর ও মানতে নারাজ হোসেনপুর বন বিভাগ কে না জানিয়ে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ গাছের মাকিং তালিকার কাজ শুরু করেন।
হোসেনপুর বন বিভাগ রেঞ্জ কর্মকর্তা কিশোরগঞ্জ এর মাধ্যমে ময়মনসিংহ বন বিভাগের নিকট হোসেনপুর দেওয়ানগঞ্জের সড়কে গড় বিশুদিয়া হইতে হোগলাকান্দি ১ কিলোমিটার সড়ক বনায়ন আছে। চিঠি দেওয়ার পর পররি ময়মনসিংহ বন বিভাগ জেলা পরিষদ ময়মনসিংহ ও সূওজ ময়মনসিংহ এর সাথে যোগাযোগ করে। হোসেনপুর বন বিভাগের রূপিত গাছ সমূহ হোসেনপুর বন বিভাগের বন বিভাগের নিকট হস্তান্তর করেন। ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ কতৃক মার্কার কৃত নাম্বারগুলি পুনরায় ময়মনসিংহ বন বিভাগের নির্দেশে নতুন ভাবে মার্কার পরিমাপ নতুন নাম্বারিং করা হয়। এবং ময়মনসিং, কিশোরগঞ্জ প্রদান জেলা পরিষদ র্নিবাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়। এর পর সরকারী নিয়ম নীতি মোতাবেক বিক্রি করা হয়। কিন্তু কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদ বন বিভাগের চুক্তি নামা শর্তেও প্রধান নির্বহী কর্মকর্তা জোর পূর্বক ভাবে হোসেনপুর বন বিভাগ ও উপকার ভূগী বাঁধা দেওয়া শর্তেও এবং রেঞ্জ অফিসার কিশোরগঞ্জ বন কর্তৃক বাঁধা দেওয়া শর্তেও বন বিভাগ হোসেনপুর এর বধ্য নাম্বার করা গাছ অবধ্য ভাবে সমস্ত নাম্বার সাদা কালি দিয়ে মুছে ফেলেন। সু- নির্দিষ্ট কোন কারণ ছাড়ায় কোন ক্ষমতা বলে। বধ্য গোপন টেন্ডারের মাঝে বিক্রি গাছ মুছে ফেলে। এই বিষয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা মানবাধিকার ও পরিবেশ সাংবাদিক সোসাইটি মাপসাসের সাধারণ সম্পাদক এস,কে শাহীন নবাব ও সাংবাধিকটিমটি বিষয়টি সর জমিনি গিয়ে নিশ্চত করেন। এই বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি আর্কশন করে হয়েছে।
© All rights reserved © 2022
Leave a Reply