1. dailyjanatarshakti@dailyjanatarshakti.com : dailyjanatarshakti : dailyjanatarshakti
  2. zakirhosan68@gmail.com : zakirbd :
জামায়াতে ইসলামীর ইফতারে তারেক রহমান: ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানে সুদৃঢ় ঐক্যের ডাক - dailyjanatarshakti
রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন

জামায়াতে ইসলামীর ইফতারে তারেক রহমান: ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানে সুদৃঢ় ঐক্যের ডাক

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২৬ Time View

​প্রতিনিধি মোঃ উজ্জল মিয়া | ঢাকা

শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আজ এক আড়ম্বরপূর্ণ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। রাজনৈতিক নেতা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সম্মানে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান আকর্ষণ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রধান বিরোধী দল বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান

​দীর্ঘদিন পর রাজনৈতিক অঙ্গনের এমন উচ্চপর্যায়ের মিলনমেলা কেন্দ্র করে সম্মেলন কেন্দ্রে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। ইফতারের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে নেতৃবৃন্দ দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও জাতীয় ঐক্যের গুরুত্ব নিয়ে আলোকপাত করেন।ঐক্যের নতুন বার্তাঅনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যে জাতীয় স্বার্থকে সর্বাগ্রে রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “ব্যক্তি বা দলের চেয়ে দেশ বড়। বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমাদের এই ঐক্য কেবল রাজনৈতিক কৌশল নয়, বরং দেশের মানুষের অধিকার পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম।”উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দও তাঁর এই বক্তব্যের সাথে একমত পোষণ করেন। জামায়াত নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্র রক্ষার প্রশ্নে বিরোধী শিবিরের এই ভ্রাতৃত্ববোধ ও ঐক্য অটুট থাকবে।​যারা উপস্থিত ছিলেনইফতার মাহফিলে জামায়াতে ইসলামীর আমীরসহ কেন্দ্রীয় কমিটির উর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন:​দেশের শীর্ষস্থানীয় বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষাবিদ।​সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধি।​পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও উলামা মাশায়েখ।সবার আগে বাংলাদেশ’ইফতারের আগ মুহূর্তে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পুরো আয়োজনে “সবার আগে বাংলাদেশ”—এই মূলমন্ত্রই ছিল সবার মুখে মুখে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ইফতার মাহফিল বিরোধী দলগুলোর মধ্যকার দূরত্ব কমিয়ে একটি শক্তিশালী জাতীয় প্ল্যাটফর্ম তৈরিতে বড় ভূমিকা রাখবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

গাছে গাছে আমের মুকুল ছড়াচ্ছে স্বর্ণালি আভা সঞ্জিত চন্দ্র শীল হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি: চলছে ফাল্গুন মাস। এরই মধ্যে সর্বত্র গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে আমের মুকুল। সামান্য দৃষ্টি নিক্ষেপেই চোখে পড়ে মুকুলে ছেয়ে আছে অসংখ্য আমগাছ। এভাবে ফাল্গুনের শুরুতেই গাছে গাছে প্রস্ফুটিত আমের মুকুল সর্বত্র ছড়াচ্ছে হাল্কা স্বর্ণালি আভা। এরই মধ্যে দেশের অন্যান্য স্থানের মতো কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার বিভিন্ন গাছেও একইভাবে উঁকি দিতে শুরু করেছে আম্রমুকুল। গাছে গাছে আগাম মুকুলের দেখা মেলায় চাষিরা বেশ খুশি। তারা ইতোমধ্যে বাগানের পরিচর্যা শুরু করে দিয়েছেন।তবে এবার মাঘের শুরু থেকে প্রস্ফুটিত হতে শুরু করেছে মুকুল। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার গাছে গাছে মুকুলের সমারোহ ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। বড় ধরনের কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না ঘটলে এবার আমের বাম্পার ফলন হবে। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, হোসেনপুর উপজেলার জিনারী, গোবিন্দপুর,সিদলা,আড়াই বাড়িয়া, পুমদি ও পৌরসভা সহ এলাকায় আমগাছে মুকুল আসতে শুরু করেছে। কিছু কিছু গাছে মুকুলের পরিমাণ কম হলেও সৌরভ ছড়াচ্ছে বাতাসে। বাগানের গাছগুলোর যত্ন নিতে পরিশ্রম শুরু করে দিয়েছেন চাষিরা। ভাল ফলনের আশায় জোরেশোরে বাগান পরিচর্যায় ব্যস্ত তারা। হোসেনপুরের বিভিন্ন এলাকাজুড়ে এখনও শীতের আমেজ বিরাজ করলেও আগাম জাতের আমগাছে মুকুল আসতে শুরু করেছে। এ অঞ্চলে ৩৫ থেকে ৪০ জাতের আম চাষ হয়ে থাকে। আর সারা বাংলাদেশে রয়েছে ২শ’ ৫০ জাতের। এর মধ্যে উলেস্নখযোগ্য হচ্ছে ফজলী, গোপালভোগ, মোহনভোগ, ন্যাংড়া, ক্ষীরসাপাত, হিমসাগর, কৃষাণভোগ, মলিস্নকা, লক্ষণা, আম্রপলি, দুধসর, দুধকলম, বিন্দাবনী, আরজান, রাণী পসন, মিশ্রিদানা, সিঁন্দুরী, আশ্বিনা সেই সঙ্গে নানা প্রকার গুটিআম। ডিসেম্বরের শেষদিক থেকে জানুয়ারির মাঝামাঝি অবধি বারোমাসি বা লোকাল জাতের আমগাছে মুকুল আসা শুরু হয়। এবার জানুয়ারির শুরুতেই মুকুল আসা শুরু হয়েছে আগাম জাতের গাছে। ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝিতে মূলত আমগাছে মুকুল আসা শুরু হয়। এবার একটু আগেই প্রস্ফুটিত হচ্ছে আমের মুকুল। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মাসের মাঝামাঝিতে সব গাছে মুকুল দেখা যাবে বলে জানা যায়। প্রত্যেক বছরই কিছু গাছে আগাম মুকুল আসে। ঘন কুয়াশার কবলে না পড়লে, এসব মুকুলেও ভাল আম হবে।তবে নিয়ম মেনে মাঘের শেষদিকে যেসব গাছে মুকুল আসে, তাতে ভাল ফলন হয়। কৃষি বিভাগ জানায়, আমের ফলন নির্ভর করে আবহাওয়ার ওপর। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর আমের বাম্পার ফলনের আশা করছেন বাগান মালিকরাও। রোগবালাইয়ের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী পরিচর্যার প্রয়োজনীয় ওষুধ স্প্রে করছেন তারা। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ মহসিন জানান, এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আমের উৎপাদন বিগত বছরের তুলনায় অনেক বেশি পাওয়ার আশা করা যাচ্ছে।আমবাগানের সঠিক পরিচর্যা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতে সার্বক্ষণিক কৃষি বিভাগের মাঠকর্মীরা নিয়োজিত রয়েছেন।তবে বাণিজ্যিকভাবে এখনো আম চাষ এ উপজেলা শুরু হয়নি।

© All rights reserved © 2022

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: সীমান্ত আইটি